ফল আমাদের কেন খাওযা উচিত
দেহ সুস্থ-সবল রাখতে যেসব পুষ্টি উপাদানের দরকার তার প্রায় সবই ফলে আছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের আধার হলো ফল। ফল পটাশিয়ামের একটি উত্তম উৎস যা সচরাচর অন্য খাদ্যে কম পাওয়া যায়। পটাশিয়াম কিডনিতে পাথর হওয়া ও হাঁড় ক্ষয় কমায়। ফলের ফলিক এসিড রক্তকণা গঠনে সাহায্য করে। গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের স্বাস্থ্য রক্ষায় ওস্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে ফল অদ্বিতীয়। তাদের দেহের জন্য যথেষ্ট পরিমাণে ফলেট বা ফলিক এসিড দরকার হয়। প্রতিদিন ফল খেলে স্ট্রোক, হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। কিছু কিছু ফল ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
রোজ অন্তত একটা হলেও ফল খেতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। এটা একদম সত্যি কথা। চিকিৎসকরা রোজ একজন ব্যক্তিকে তার দেহের ওজন অনুসারে প্রতি কেজি দৈহিক ওজনের জন্য দিনে ০.৮ গ্রাম ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। পুষ্টিবিদদের মতে, রোজ একজন পূর্ণবয়স্ক লোকের কমপক্ষে ২০০ গ্রাম ফল খাওয়া উচিত। তার মানে পাঁচজনের একটি পরিবারে রোজ ১ কেজি ফল লাগবে। এ পরিমাণ কলা, পেঁপে, কুল, আম ইত্যাদি ফল পাওয়া সম্ভব। দেশীয় ফলের মতো পুষ্টিকর ও সস্তা ফল আর হয় না। কিন্তু রোজ ২০০ গ্রাম ফল যে খাবো তা জোগাবে কে? এ দেশে বর্তমান ফলের যে উৎপাদন তা আমাদের প্রয়োজনের মাত্র ৪০ শতাংশ পূরণ করতে পারে। তাই বিদেশ থেকে আঙুর, আপেল, কমলা, নাশপাতির মতো অনেক ফলে এখন দেশের বাজার ভরে গেছে। বেশি দাম দিয়ে কেনা সেসব ফল থেকে কিন্তু আমরা খুব কম পুষ্টিই পাই। আর সেটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। কেননা, এসব ফল আমরা যখন বাজার থেকে কিনি তা কখনই টাটকা থাকে না, অনেক দিন আগে গাছ থেকে পেড়ে নানা রকম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ দেশের বাজারে আসে। গাছ থেকে ফল পাড়ার পর থেকেই পুষ্টি কমতে থাকে, পুষ্টি উপাদানের পরিবর্তন হতে থাকে। তাছাড়া বেশির ভাগ ফলই বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে সংরক্ষণ করা হয় যাতে ফল না পচে। এজন্য এসব ফল দেহের জন্য ততটা নিরাপদ ও পুষ্টিকর নয়।
অতীতে একটা কথা চালু ছিল, ‘যদি বাঁচতে চাও, যত পার সবজি আর ফল খাও’। কিন্তু এই যত পার মানে কি? পর্যাপ্ত ফল বলতে কি রোজ দশটা আম, কুড়িটা কুল না পাঁচ ঝুড়ি ফল খাবো? এ পরিমাণের কোনো নির্দিষ্টতা ছিল না। রোজ কে কতটুকু ফল খাবে তা আসলে লিঙ্গ, বয়স, কাজের ধরন ইত্যাদি নানা বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। যারা দৈহিক পরিশ্রম কম করেন, তাদের জন্য ফল খাওয়ার পরিমাণ হবে এক রকম, যারা বেশি পরিশ্রম করে তাদের জন্য অন্য রকম..........
রোজ অন্তত একটা হলেও ফল খেতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। এটা একদম সত্যি কথা। চিকিৎসকরা রোজ একজন ব্যক্তিকে তার দেহের ওজন অনুসারে প্রতি কেজি দৈহিক ওজনের জন্য দিনে ০.৮ গ্রাম ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। পুষ্টিবিদদের মতে, রোজ একজন পূর্ণবয়স্ক লোকের কমপক্ষে ২০০ গ্রাম ফল খাওয়া উচিত। তার মানে পাঁচজনের একটি পরিবারে রোজ ১ কেজি ফল লাগবে। এ পরিমাণ কলা, পেঁপে, কুল, আম ইত্যাদি ফল পাওয়া সম্ভব। দেশীয় ফলের মতো পুষ্টিকর ও সস্তা ফল আর হয় না। কিন্তু রোজ ২০০ গ্রাম ফল যে খাবো তা জোগাবে কে? এ দেশে বর্তমান ফলের যে উৎপাদন তা আমাদের প্রয়োজনের মাত্র ৪০ শতাংশ পূরণ করতে পারে। তাই বিদেশ থেকে আঙুর, আপেল, কমলা, নাশপাতির মতো অনেক ফলে এখন দেশের বাজার ভরে গেছে। বেশি দাম দিয়ে কেনা সেসব ফল থেকে কিন্তু আমরা খুব কম পুষ্টিই পাই। আর সেটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। কেননা, এসব ফল আমরা যখন বাজার থেকে কিনি তা কখনই টাটকা থাকে না, অনেক দিন আগে গাছ থেকে পেড়ে নানা রকম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ দেশের বাজারে আসে। গাছ থেকে ফল পাড়ার পর থেকেই পুষ্টি কমতে থাকে, পুষ্টি উপাদানের পরিবর্তন হতে থাকে। তাছাড়া বেশির ভাগ ফলই বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে সংরক্ষণ করা হয় যাতে ফল না পচে। এজন্য এসব ফল দেহের জন্য ততটা নিরাপদ ও পুষ্টিকর নয়।
অতীতে একটা কথা চালু ছিল, ‘যদি বাঁচতে চাও, যত পার সবজি আর ফল খাও’। কিন্তু এই যত পার মানে কি? পর্যাপ্ত ফল বলতে কি রোজ দশটা আম, কুড়িটা কুল না পাঁচ ঝুড়ি ফল খাবো? এ পরিমাণের কোনো নির্দিষ্টতা ছিল না। রোজ কে কতটুকু ফল খাবে তা আসলে লিঙ্গ, বয়স, কাজের ধরন ইত্যাদি নানা বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। যারা দৈহিক পরিশ্রম কম করেন, তাদের জন্য ফল খাওয়ার পরিমাণ হবে এক রকম, যারা বেশি পরিশ্রম করে তাদের জন্য অন্য রকম..........

No comments